Showing posts with label শহুরে জীবন. Show all posts
Showing posts with label শহুরে জীবন. Show all posts

Tuesday, May 5, 2015

ঢাকার রাস্তায় বৃক্ষরেপান।

 কোটি মানুষের ঢাকা নিয়ে মেয়রদের হাজার কোটি টাকার পরিকল্পনা। যাদের টাকা নেই তারা কি করবে ঢাকা নিয়ে। শহরটা তো তাদেরও। মেয়র/কমিশনার না হয়ে কোটি টাকা ছাড়া কি ঢাকার জন্য কিছু করা যায় ?

আমি এক পাগলের কাজ দেখলাম কাঠাল বাগান এলাকায়। সড়ক বিভাজনে সে ঘৃতকুমারী, ইক্ষু/গেন্ডারী/আখ আর লাল শাক বুনেছেন। আপনার বাড়ি কিংবা অফিসের সামনের সড়ক বিভাজনে আপনিও লাগাতে পারে বিভিন্ন গাছ।

গালাগালি তো অনেক করি। কিন্তু আপনি চাইলেই ঢাকা সবুজ হবে। আপনার একটা গাছই
ঢাকার সবুজের ঘনত্ব বৃদ্ধি করবে। আপনার বিশুদ্ধ অক্সিজেনের যোগানদাতা হবে। ঢাকার বাতাস পরিচ্ছন্ন করবে। সামনেই বর্ষাকাল গাছ লাগানোর উপযুক্ত সময়। আসুন একটা গাছ লাগাই।

Tuesday, April 7, 2015

ঢাকা বসবাসের অযোগ্য শহর। ঢাকায় নেই, নেই আর নেই। শত অভিযোগ ঢাকা নিয়ে ।

ঢাকা বসবাসের অযোগ্য শহর। ঢাকায় নেই, নেই আর নেই। শত অভিযোগ ঢাকা নিয়ে । কত জ্ঞানী/গুণী মানুষের পিএইচডি,টকশো,আলোচনা, সভা,সেমিনার,মিটিং, মিছিল ঢাকার সমস্যা ঘিরে। সবাই বাস অযোগ্য ঢাকার পিছনে অন্য কাউকে খুজতে ব্যস্ত। কিন্তু বাস অযোগ্য ঢাকার তৈরির পিছনে নিজের চেহারা খুঁজে পাই না।

শুধু অন্যের উপর দোষ চাপিয়ে দেওয়া নয়। আমরা সামর্থ্য অনুসারে নিজেদের চারপাশ সবুজে রাঙ্গাতে ব্যস্ত পুরো বর্ষা জুড়ে। আসুন একটা গাছ, একটা বীজ কিংবা আপনার টবে বড় হয়ে যাওয়া গাছটা রাস্তার পাশে ফাঁকা জায়গায় অথবা সড়ক বিভাজনে লাগিয়ে দেই। কারণ সবার দাবী ঢাকা বাসযোগ্য হোক।

শুধু অভিযোগে আর কাদা ছুড়াছুড়িতে ঢাকা এ অবস্থা পাল্টাবে না। আর অভিযোগ নয়। নিজেরা চেষ্টা করি । কারণ ঢা
কা বাস অযোগ্য হয়, আমাদের কারণে। আর ঢাকা সবুজ হবে যদি আপনি/আমি চাই।
আপনার লাগানো গাছে কে ফল খাবে, কিংবা গাছ থাকবে কিনা এই চিন্তা বাদ দিন। বরং গাছ লাগানোর সময় দেশীয় ফলজ,বনজ এবং ঔষধি গাছকে প্রাধান্য দিন। ফল,ফুল না পান। বিশুদ্ধ অক্সিজেন তো পাবেন-ই।

থানকুনি, পুদিনা, মেহেদি,পেঁপে, তুলসী,পাথরকুচি গাছগুলো আমার সড়ক বিভাজনে লাগাছি। আপনার এলাকায় কবে গাছ লাগাবেন? আপনি ডাকলেই আমি/আমরা হাজির হব।

Monday, April 6, 2015

অক্সিজেনের কারখানা বানাই।

অক্সিজেনের কারখানা বানাই।
হাজার সীমাবদ্ধতা। শহরে নিজের জমি নেই। আমার বাবারও জমি নেই। কিন্তু যে অক্সিজেন পাই তা আমার কিংবা বাবার লাগানো গাছের নয়। গত প্রায় ১যুগের বেশি সময় এই শহরে আছি । কয়েক হাজার টন অক্সিজেন গ্রহণ করেছি। এক টাকাও দেইনি।

এবার আমারও দায় শোধ করার প্রয়োজন। পুরো শহরটাই আমার। তাই আমার শহরে মাটি পেলেই গাছ লাগাই। অক্সিজেনের কারখানা বানাই।

Sunday, July 25, 2010

কেন পালাই শহর থেকে শহুরে জীবন থেকে।



শহুরে এই যান্ত্রিক জীবন আমি প্রায়ই বড্ড ক্লান্ত হয়ে পড়িসত্য বলতে প্রতি মুহূতেই সুযোগ খুঁজি এই শহর থেকে পালাতেকিছু করতে চাই, কিছু হবে আর অসংখ্য স্বপ্নপূরণ করার একটা পথ বের করতে চাই এই শহর থেকেআর তাই ইচ্ছার বিরুদ্ধে রোবোটিক্স জীবন যাপন করতে হয় এ শহরে

জীবনের শুরুটা আমার ছোট এক শহরেশহরের প্রায় প্রতিটি মানুষই সবাই সবাইকে চিনেএরকম একটা প্রাণবন্ত শহর ছেড়ে নিতান্ত বাধ্য হয়েই আমি আপনাদের এই শহুরে জীবনের স্বাদ নিতে আসি

তবে বার বার মুক্তি পাবার তাগিদে একটা উপায় আমি খুঁজে পাইএকদিন এক সন্ধ্যায় একটা স্লিপিং ব্যাগ কিনি আর গিফট পাওয়া ছোট একটা তাবু সঙ্গে নিয়ে বের হয়ে পড়িএ জীবনের অন্যরকম স্বাদ

আর এখন যখনি একটু সময় পাই, আমি ছুটে যাইমুক্তি পাবার ইচ্ছা"য় দেশের বিভিন্ন গ্রামে-গঞ্জেআমার ব্যাগ, তাবু আর আমি এই তিনের সমন্বয়ে সত্যি প্রায়ই এক অবিশ্বাস রকম মুক্তির স্বাদ পাই

এত কিছুর মাঝেও স্বপ্ন দেখি সুযোগ পেলে আমি আবার ফিরে যাব আমার শহরেআপনার মত এত গুছিয়ে আমার ক্লান্তির কথা কাউ বলতে পারি না, বলতে পারি না আমার স্বপ্ন কিংবা হতাশার কথাতারপরও চেষ্টা করলাম " এই যান্ত্রিক শহর থেকে নিজেকে খানিকটা মুক্তির দেওয়ার পথটা জানানোর

সময় থাকলে একবার ঘর থেকে পালাতে পারেন এ অন্যরকম এক স্বাদতবে স্থায়ী অভ্যাস যেন না হয়
শুভ কামনা